• ২০২৬ এপ্রিল ২৪, শুক্রবার, ১৪৩৩ বৈশাখ ১১
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:০৪ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

জ্বালানি সংকটে বাড়ছে লোডশেডিং: চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াট, ঘাটতি ৩ হাজার

  • প্রকাশিত ০৩:০৪ অপরাহ্ন শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬
জ্বালানি সংকটে বাড়ছে লোডশেডিং: চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াট, ঘাটতি ৩ হাজার
সংগৃহীত ছবি
বিশেষ প্রতিনিধি

ঢাকা: গতকাল বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট। ২০৮৬ মেগাওয়াটের মতো লোডশেডিং হয়েছে।

বৃহস্পতিবার চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াটের মতো। বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বেড়েছে, বেড়েছে গরমও।

সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেড়েছে। অন্যদিকে জ্বালানি সংকটও অনেক বেশি অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানান।

যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা বলেন, আমরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছি, এসি ব্যবহার করছি, যে কারণে বিদ্যুতের সার্বিক চাহিদা বেড়েছে।

আজ উৎপাদনের প্রজেকশনে দেখা যাচ্ছে আমরা প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব। তারপরও প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকবে।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আদানি থেকে যে বিদ্যুৎ আনি, কারিগরি ত্রুটির কারণে একটি ইউনিট বন্ধ। ২৬ এপ্রিল সেকেন্ড ইউনিট ঠিক হলে বিদ্যুৎ পাবো। বাঁশখালীতে এসএস পাওয়ারের একটি আইপিপি প্ল্যান্ট আছে। সেখানেও একটি ইউনিট বিকল হওয়ার কারণে প্রায় সাড়ে ছয়শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম পাচ্ছি। আগামী ২৮ এপ্রিল এটিও ঠিক হয়ে যাবে। এ সময় প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ দিতে পারবো।

তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছি, এসি ব্যবহার করছি যে কারণে বিদ্যুতের সার্বিক চাহিদা বেড়েছে। আজ উৎপাদনের প্রজেকশনে দেখা যাচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব। তারপরও প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকবে।

যুগ্মসচিব জানান, আরএনপিএলের (পায়রা) একটি কেন্দ্র বন্ধ। কয়লা আমদানি করে আনতে হয়। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে কয়লা আসবে। এতে সব মিলিয়ে আমরা প্রায় ১৯৮২ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ দিতে পারবো। তখন মানুষের সংকট কিছুটা নিরসন হবে বলে আশা করছি।


জিসিজি/আরকেআর


সর্বশেষ