একসময় জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন কাঁঠালবাগান এলাকার অধিবাসী মরহুম হেলাল উদ্দিন হেলাল। দলীয় রাজনীতির কঠিন সময়ে তাঁর ভূমিকা ও অবদানের কথা এখন অনেকটাই বিস্মৃতির আড়ালে চলে গেছে বলে অভিযোগ পরিবারের।
দিনদুপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন হেলাল উদ্দিন হেলাল। তাঁর মৃত্যুর পর বাবা-মা দুজনকেই হারিয়ে একমাত্র সন্তান রাফি (১৬) আজও বাবার হত্যার বিচার পাওয়ার আশায় দিন কাটাচ্ছেন। প্রিয়জন হারানোর বেদনার পাশাপাশি বিচার না পাওয়ার কষ্টও তাকে নীরবে কাঁদিয়ে ফিরছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রাফির অভিযোগ, জাতীয় পার্টির দুঃসময়ে তাঁর বাবা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও মৃত্যুর পর পরিবারটির খোঁজখবর নেওয়ার ক্ষেত্রে দল বা সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।
রাফি বলেন, “আমার বাবা দলের জন্য অনেক কিছু করেছেন। আজ তিনি নেই, আমার মা-ও নেই। আমি শুধু বাবার হত্যার বিচার চাই। বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন।”
পরিবারের দাবি, একজন রাজনৈতিক কর্মী বা নেতার জীবদ্দশায় তাঁর অবদানকে মূল্যায়ন করা হলেও মৃত্যুর পর অনেক সময় পরিবারগুলোই একা হয়ে যায়। হেলাল উদ্দিন হেলালের ঘটনাটি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনীতির জন্য জীবন উৎসর্গ করা একজন মানুষের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারকে ভুলে না গিয়ে পাশে দাঁড়ানো রাজনৈতিক দল ও সহকর্মীদের নৈতিক দায়িত্ব বলেও মনে করছেন পরিবারের স্বজনরা।
হেলাল উদ্দিন হেলালের একমাত্র সন্তান রাফি তাঁর বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তাঁর ভাষায়, “আল্লাহ যেন আমার বাবাকে শহীদের মর্যাদা দিয়ে জান্নাত নসিব করেন।”
#হেলালউদ্দিনহেলাল #জাতীয়পার্টি #কাঁঠালবাগান #বিচারেরদাবি #রাজনীতি #রাজনৈতিককর্মী #পরিবারেরআহাজারি #বিচারচাই #দোয়া #ঢাকা
মতামত দিন