• ২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৬, শনিবার, ১৪৩৩ আশ্বিন ১১
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:০৯ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

পারমাণবিক সহযোগিতায় নতুন পথে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র।*

  • প্রকাশিত ০৪:০৯ অপরাহ্ন শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
পারমাণবিক সহযোগিতায় নতুন পথে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র।*
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ

*পারমাণবিক সহযোগিতায় নতুন পথে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র।* 


 *উপশিরোনাম:* শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার বাড়াতে নিউইয়র্কে সমঝোতা স্মারক সই। 

শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক কাজে পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং এ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এই সমঝোতায় স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ এতে স্বাক্ষর করেন। পরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রেহান আসাদ।

নতুন সমঝোতায় দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্বের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণে পারমাণবিক শক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে—এমন অভিন্ন অবস্থানের কথাও এতে তুলে ধরা হয়েছে।

সমঝোতা অনুযায়ী, বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা পরিচালিত হবে উচ্চমাত্রার পারমাণবিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক সেফগার্ডসের নীতিমালা অনুসরণ করে। একই সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধের আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রতিও অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দুই দেশ।

চুক্তির আওতায় থাকা দুই দেশই আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সেফগার্ডস ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত এবং উভয়েই পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধসংক্রান্ত চুক্তি—নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি (এনপিটি)—এর স্বাক্ষরকারী। ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই এনপিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের অংশ হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সমঝোতাকে দেখা হচ্ছে। দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদা পূরণে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগও এতে তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশ এরই মধ্যে রাশিয়ার সহযোগিতায় পাবনার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। এর পাশাপাশি পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরেকটি সমঝোতা স্মারক সই করেছিল বাংলাদেশ। বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ছিল ওই সমঝোতার অন্যতম লক্ষ্য।

তবে এবারের সমঝোতার পরিধি মূলত বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে। ফলে এটি প্রচলিত জ্বালানি বাণিজ্যের বাইরে দুই দেশের পারমাণবিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা সহযোগিতার একটি পৃথক ক্ষেত্র উন্মুক্ত করছে।

সর্বশেষ