• ২০২৬ Jun ১০, বুধবার, ১৪৩৩ জ্যৈষ্ঠ ২৬
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৬ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার তুর্কক বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের আন্দোলনের আগে ও পরে নিহতদের সংখ্যা নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন তাহা প্রকৃত নিহতের সংখ্যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য পুর্ন নয় , ভলকার তুর্ককের রিপোর্টটি ভুয়া।

  • প্রকাশিত ১২:০৬ পূর্বাহ্ন বুধবার, Jun ১০, ২০২৬
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার তুর্কক  বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের আন্দোলনের আগে ও পরে নিহতদের সংখ্যা নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন তাহা প্রকৃত নিহতের সংখ্যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য পুর্ন  নয় , ভলকার  তুর্ককের রিপোর্টটি ভুয়া।
সংগৃহীত ছবি
অনলাইন ডেস্ক

লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের আইনজীবী স্টিভেন পাউলস কেসি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার তুর্ককে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা নিয়ে চলমান বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্টে উল্লেখিত এক হাজার ৪০০ জন নিহতের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওই রিপোর্ট সংশোধন ও প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক দাবি জানানো হয়েছে।

লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের আইনজীবী স্টিভেন পাউলস কেসি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার তুর্ককে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। গত ২৮ মে পাঠানো ওই চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের রিপোর্টে দেওয়া নিহতের সংখ্যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

চিঠিতে বলা হয়, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের আন্দোলনে এক হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রকাশিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের গেজেট ২০২৪’ অনুযায়ী এই সংখ্যা ৮৩৪ জন। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি তালিকায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৬৫০ জন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব তুলনায় জাতিসংঘের সংখ্যাকে ‘অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তদন্তের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। অভিযোগ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে পরিচালিত এই ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রক্রিয়ায় সরকারের প্রভাব ছিল এবং তদন্তের সময়সীমা ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকায় পরবর্তী সময়ের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

আইনজীবীর দাবি, এই সংখ্যাগত পার্থক্য রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করা হয়েছে, যার মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সহিংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং সরকারের পতনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

চিঠির শেষে জাতিসংঘের কাছে আহ্বান জানানো হয়, এক হাজার ৪০০ জন নিহতের তথ্যটি জনসমক্ষে সংশোধন ও প্রত্যাহার করা হোক এবং ভবিষ্যতে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা আরও নিশ্চিত করা হোক।

এদিকে, এই চিঠির ছবি পোস্ট করে সাংবাদিক আনিস আলমগীর ফেসবুকে লিখেছেন, নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক এখনও শেষ হয়নি এবং জাতিসংঘের রিপোর্ট ও সরকারি গেজেটের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই চিঠি পাঠানোর মাধ্যমে ‘জুলাই শহীদ সংখ্যা বিতর্ক’ আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্ব পাচ্ছে।


সর্বশেষ