• ২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬, রবিবার, ১৪৩৩ ভাদ্র ২২
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

*২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮৬৭ রোগী, এক ইনকিউবেটরে তিন নবজাতক—পরিত্যক্ত ভবনেও চিকিৎসা; সরেজমিনে ক্ষুব্ধ বিমানমন্ত্রী*

  • প্রকাশিত ১১:০৯ পূর্বাহ্ন রবিবার, সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
*২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮৬৭ রোগী, এক ইনকিউবেটরে তিন নবজাতক—পরিত্যক্ত ভবনেও চিকিৎসা; সরেজমিনে ক্ষুব্ধ বিমানমন্ত্রী*
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ

*২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮৬৭ রোগী, এক ইনকিউবেটরে তিন নবজাতক—পরিত্যক্ত ভবনেও চিকিৎসা; সরেজমিনে ক্ষুব্ধ বিমানমন্ত্রী* 


জামালপুর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ বেশি রোগীর চিকিৎসা চলছে। ২৫০ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ৮৬৭ জন রোগী। এর মধ্যে শিশু ওয়ার্ডের চিত্র আরও উদ্বেগজনক—একটি ইনকিউবেটরে একসঙ্গে রাখা হচ্ছে তিন নবজাতককে। এর পাশাপাশি ২০২১ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেও চলছে চিকিৎসাসেবা।

শনিবার বিকেলে হাসপাতালটি পরিদর্শনে গিয়ে এমন পরিস্থিতি দেখে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। চিকিৎসা ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র দেখতে গিয়ে হাসপাতালের অতিরিক্ত রোগীর চাপ, শয্যা সংকট এবং অব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অবহিত হন মন্ত্রী।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল দেখেছেন তিনি। তবে জামালপুরের এই হাসপাতালের মতো পরিস্থিতি তাঁর চোখে পড়েনি। ২৫০ জন রোগীর জন্য নির্মিত হাসপাতালে ৮৬৭ জন ভর্তি থাকায় রোগীদের দুর্ভোগের চিত্র তাঁকে হতবাক করেছে।

শিশু ওয়ার্ডের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানান মন্ত্রী। বিশেষ করে একটি ইনকিউবেটরে একসঙ্গে তিন নবজাতক রাখার বিষয়টিকে তিনি অত্যন্ত কষ্টদায়ক বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, নবজাতকদের জন্য এমন পরিবেশ কোনোভাবেই স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

হাসপাতালের পুরোনো বহির্বিভাগ ভবন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ভবনটি ২০২১ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। অথচ এখনও সেখানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী আসছেন এবং চিকিৎসাসেবার কার্যক্রম চলছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া নিয়ে মন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জামালপুর জেলার পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষও এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই এখানে নির্ধারিত শয্যার তুলনায় রোগীর চাপ বেশি। শয্যা না পেয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হয়। কোথাও কোথাও একই শয্যায় একাধিক রোগী রাখার ঘটনাও ঘটে।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হকসহ হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

 *হাসপাতালের এই চিত্র সামনে আসায় প্রশ্ন উঠেছে—নির্ধারিত সক্ষমতার কয়েক গুণ রোগীর চাপ, নবজাতকদের জন্য অপর্যাপ্ত সুবিধা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চিকিৎসাসেবা চলার পরও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।*

সর্বশেষ