**দুই সেনা সদস্যের ম’র্মা’ন্তি’ক মৃ’ত্যু’’তে স্ত’ব্ধ গোটা দেশ। পরিবারে চলছে শো’কে’র মাতম।**
নি’হ’’ত দুই সেনাসদস্য—**পিয়াস ও তাসনিম রিফায়াত।**
হাটহাজারীতে বুধবার সেনাবাহিনীর নিয়মিত **ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন** চলছিল।
সবকিছুই চলছিল প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে।
কিন্তু ট্যাংক থেকে গো’লা’বর্ষ’ণে’’র সময় হঠাৎ ঘটে যায় ভ’য়া’ব’হ সেই দু’র্ঘ’ট’’না।
আর মুহূর্তের মধ্যেই থেমে যায় দুটি জীবন।
দুই সেনাসদস্যের পরিবারে নেমে আসে এমন এক অন্ধকার, যে অন্ধকার কোনোদিন হয়তো আর কাটবে না।
নিহত **পিয়াসের বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুল্সি সদ্দার বাড়ির মালিপাড়া গ্রামে।**
তিনি আবদুল ওয়াবের ছেলে।
একজন মানুষ সেনাবাহিনীতে জায়গা করে নিতে কতটা পরিশ্রম করেন, কতটা কঠিন প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়—তা আমরা বাইরে থেকে হয়তো কখনোই বুঝতে পারি না।
ঘাম ঝরাতে হয়।
কঠিন শারীরিক প্রশিক্ষণ নিতে হয়।
পিয়াসও সেই কঠিন পথ পাড়ি দিয়েছিলেন।
কিন্তু কে জানত, দেশের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একটি মুহূর্তের দুর্ঘটনাই কেড়ে নেবে তার পুরো ভবিষ্যৎ!
**আরেক নি’হ’ত সেনাসদস্য তাসনিম রিফায়াত।**
প্রায় **১০ বছর ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি।**
দশ বছর!
একজন মানুষের জীবনের দীর্ঘ একটি অধ্যায়।
এই দশ বছরে কত প্রশিক্ষণ, কত দায়িত্ব, কত ত্যাগ—সবকিছু পেরিয়ে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন দেশের সেবায়।
কিন্তু সেই স্বপ্নও থেমে গেল হাটহাজারীর সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনায়।
আর তাসনিমের পরিবারের জন্য সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বাস্তবতা হলো—
তার রয়েছে **আড়াই বছরের ছোট্ট একটি মেয়ে।**
তার নাম **জুঁই।**
একটি শিশু, যে এখনো হয়তো ঠিকভাবে বুঝতেই শেখেনি—বাবা কী!
**পিয়াস ও তাসনিম রিফায়াত—
দেশের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আজ তারা আর নেই।**
**আল্লাহ তাদের দুজনকে ক্ষমা করুন এবং তাদের পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি দিন।**
আর ছোট্ট জুঁইয়ের জন্য—
দোয়া করি, বাবাকে হারানোর এই বিশাল শূন্যতার মধ্যেও যেন সে ভালোবাসা, নিরাপত্তা আর মানুষের দোয়ায় বড় হতে পারে।
মতামত দিন