• ২০২৬ অক্টোবর ২৭, মঙ্গলবার, ১৪৩৩ কার্তিক ১২
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:১০ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

১৬ ডিসেম্বর নতুন সচিবালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রস্তুতি

  • প্রকাশিত ০২:১০ অপরাহ্ন মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
১৬ ডিসেম্বর নতুন সচিবালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রস্তুতি
Time Bangla news
মোঃ মিজানুর রহমান | কুমিল্লা ব্যুরো চিফ প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ


১৬ ডিসেম্বর নতুন সচিবালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রস্তুতি

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৩ পিএম

রাজধানীর গুলশান, বনানী, উত্তরা, পূর্বাচল নতুন শহর ও ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় ১ হাজার ৪১৩টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এসব বরাদ্দে কোনো অনিয়ম বা বিধিবহির্ভূত কাজ হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটি। এর মধ্যে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ৮৭৪টি এবং ঝিলমিল আবাসিক এলাকার ২০০টি প্লটের অনিয়মসংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এসব প্লটের নথিসংক্রান্ত কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রয়েছে।

রাজনৈতিক বিবেচনায় বরাদ্দ এবং অনিয়মের বিষয়গুলো যথাযথভাবে যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুরসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয়, প্লট বরাদ্দে অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট পিটিশনের রুলের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত কমিটি রাজউকের বিভিন্ন প্রকল্পের নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে। প্রাপ্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট প্লটগুলোর বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আলোচনা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিবেচনায় বরাদ্দ দেওয়া মোট ১ হাজার ৪১৩টি প্লটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৪৪টি পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাকি প্লটগুলো গুলশান, বনানী, উত্তরা ও ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরস্থানের মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং সংলগ্ন উদ্যান ও প্রাঙ্গণের অসমাপ্ত সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিচ্ছন্নতার কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কবরস্থানের মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ দ্রুত শেষ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি উদ্যান ও প্রাঙ্গণের অসমাপ্ত সৌন্দর্যবর্ধন এবং পরিচ্ছন্নতার কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ

সরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘এনহ্যান্সিং ক্লিন এনার্জি অ্যাকসেস থ্রু রুফটপ সোলার পিভি ইন পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ শীর্ষক প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরকারি ভবনগুলোর ছাদে স্থাপিত সৌর প্যানেল থেকে ৩৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট ভবনে ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।

এ ছাড়া জাতীয় সংসদ ভবন কেন্দ্রিক গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২৬ সালে সম্পন্ন করা বিভিন্ন কাজের বিবরণ বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। সংসদ ভবনের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা এবং এর ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নতুন সচিবালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর ১৬ ডিসেম্বর

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ে নতুন সচিবালয়ের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর আগামী ১৬ ডিসেম্বর স্থাপনের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

বৈঠকের শুরুতে কমিটির প্রথম সভার কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয়। পরে ওই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, এম মঞ্জুরুল করিম রনি, মো. রুহুল আমিন ও মো. তাজউদ্দীন খান অংশ নেন। এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ