• ২০২৬ Jun ২১, রবিবার, ১৪৩৩ আষাঢ় ৭
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৬ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

রমাদান সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস, প্রয়োজন ধৈর্য ও সহনশীলতা।

  • প্রকাশিত ১১:০৬ অপরাহ্ন রবিবার, Jun ২১, ২০২৬
রমাদান সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস, প্রয়োজন ধৈর্য ও সহনশীলতা।
file
হাসিনুর রহমান হাসু। টাইম বাংলা নিউজ ডেস্ক।

রমাদান সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস, প্রয়োজন ধৈর্য ও সহনশীলতা।

পবিত্র রমাদান মাস মুসলমানদের জন্য সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ধৈর্যের শিক্ষা দেয়। এই মাসে মানুষ সিয়াম সাধনার মাধ্যমে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করে এবং নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পায়। রোজার মূল উদ্দেশ্যই হলো আত্মসংযম অর্জন করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা।

তবে বাস্তবে অনেক সময় দেখা যায়, এই পবিত্র মাসেই মানুষের মধ্যে ধৈর্যের ঘাটতি দেখা দেয়। বিভিন্ন স্থানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া-বিবাদ কিংবা মারামারির ঘটনাও ঘটে। অনেকে মনে করেন, সারাদিন রোজা থাকার কারণে শারীরিক ক্লান্তি ও ক্ষুধার প্রভাব মানুষের আচরণে পড়ে, ফলে মেজাজ দ্রুত খারাপ হয়ে যায়।

কিন্তু ইসলাম ধর্মে রোজার অন্যতম শিক্ষা হলো ধৈর্য ও সহনশীলতা অর্জন করা। রোজা শুধু না খেয়ে থাকা নয়, বরং নিজের রাগ, ক্ষোভ ও খারাপ আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করার নামও রোজা। তাই রমাদান মাসে বিশেষভাবে ধৈর্য ধারণ করা, মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অন্যের সঙ্গে ভালো আচরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, রমাদানের প্রকৃত শিক্ষা তখনই সফল হবে, যখন মানুষ এই মাসে নিজেকে সংযত রাখতে পারবে এবং সমাজে শান্তি ও সহমর্মিতার পরিবেশ তৈরি করবে। তাই রোজা রেখে অস্থিরতা নয়, বরং ধৈর্য ও শান্তভাব বজায় রাখাই হওয়া উচিত প্রত্যেকের প্রধান লক্ষ্য।

রমাদান আমাদের শেখায়—মাথা ঠান্ডা রাখা, ধৈর্য ধারণ করা এবং মানবিক মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করা। এই শিক্ষা শুধু রমাদানেই নয়, সারা বছর আমাদের জীবনে কাজে লাগানোই প্রকৃত সাফল্য।


সর্বশেষ