কক্সবাজার সমিতি পাড়া থেকে ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে RAB-15
কক্সবাজার প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের সমিতিপাড়ায় র্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার।
সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে কক্সবাজার জেলাসহ পাশ্ববর্তী এলাকায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে র্যাবে-১৫। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ভোরে কক্সবাজার পৌরসভাধীন সমিতিপাড়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৬০,০০০ (ষাট হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে , টেকনাফ হতে মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে আসা মাদকের একটি বড় চালান কক্সবাজার সদর মডেল থানাধীন সমিতিপাড়া এলাকায় জনৈক নবাব মিয়ার বাড়িতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছে। সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ে গত ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ভোর ০৪:১৫ ঘটিকায় র্যাবের চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজার পৌরসভার ০১ নং ওয়ার্ডের সমিতিপাড়া গ্রামস্থ বাইতুল নুর জামে মসজিদের উত্তর পাশে জনৈক নবাব মিয়ার বাড়িতে পৌঁছায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির মালিক নবাব মিয়া অত্যন্ত কৌশলে ঘরের দরজা খোলা রেখে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পলাতক আসামির বসতবাড়ি তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে ভোর ০৫:৩০ ঘটিকায় রান্নাঘরের উত্তর-পূর্ব কোণ থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর অত্যন্ত সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় ৩০০টি ছোট বায়ুরোধক নীল জিপারযুক্ত পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। উক্ত প্যাকেটগুলো থেকে মোট ৬০,০০০ (ষাট হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়, যার ওজন প্রায় ৫.৫০০ কেজি।
আসামির পরিচয়: পলাতক আসামি নবাব মিয়া (৩০), পিতা- মৃত বাহাদুর মিয়া, মাতা- আম্বিয়া খাতুন, সাং- সমিতিপাড়া (০১ নং ওয়ার্ড), কক্সবাজার পৌরসভা।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, পলাতক আসামি দীর্ঘদিন যাবৎ মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ করে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাচার ও বিক্রয় করে আসছিল।
জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও ঘটনার বিষয়ে পলাতক আসামির বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এ মামলা রুজু করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মতামত দিন