সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আপসহীন চট্টগ্রাম বন সংরক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
মতিউল ইসলাম (কক্সবাজার)
সিন্ডিকেট ভাঙ্গাও
দুর্নীতীর বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্ল্যা রেজাউল করিমকে বদলী করা হয়েছে। এক অফিস আদেশ তাকে বরিশাল বন সংরক্ষক হিসেবে বদলী করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় বন সংরক্ষকের মিলনায়তনে তার বিদায় অনুস্টানে বক্তারা ড. মোল্ল্যা রেজাউল করিমের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন তিনি চট্টগ্রামে যোগদানের পর থেকে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়েছেন। বিভিন্ন দপ্তরে ঘাপটি মেরে থাকা দোসরদের অপকর্মের শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু তার এসব ভাল কাজের কারণে সিন্ডিকেটের কিছু সদস্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন অপতথ্য সরবরাহ করে তার মান হানি করেছেন। এসব বিষয়কে তিনি তোয়াক্কা না করে তার নীতিতে তিনি অটল ছিলেন।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে বৈষম্যহীন চট্রগ্রাম অঞ্চলের বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণসহ কঠোর হস্তে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তারকারী কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের পিছু নিয়েছিল ড. মোল্লা রেজাউল করিম । ঐ স্বার্থান্বেষী মহল বিগত এক বছরের অধিককাল উনার বিরুদ্ধে নানা চক্রান্ত করেছে কিন্তু ড. মোল্ল্যা রেজাউল করিম এসব তোয়াক্ক করেনি। ওইসব স্বার্থান্বেষী কর্মকর্তারা বন অধিদপ্তরের কতিপয় নীতি নির্ধারক দ্বারা পরিচালিত এবং বন অধিদপ্তরের নীতি নির্ধারকগণের কয়েকজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মদদদাতা। আর এই চক্রান্তে বিগত স্বৈরাচারের দোসর একজন প্রভাবশালী নীতি নির্ধারক সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদকে বলেছেন।
মূলত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর চট্টগ্রাম অঞ্চলের কিছু চিহৃিত দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পুনরায় লোভনীয় পোস্টিং এ বসানোর জন্য ড. মোল্যা রেজাউল করিমকে, বদলি করা হয়েছে। এসবের পিছনে কলকাড়ি নেড়েছেন ফ্যাসিষ্টের দোসর কতিপয় উচ্চপদস্থ দূর্নিতিবাজ কর্মকর্তা।
আর ড. মোল্ল্যা রেজাউল করিম স্বৈরাচারের দোসরদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেওয়ায় ১০ কোটি টাকা বদলী বানিজ্যের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে , তারপর সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা সোস্যাল মিডিয়ায় ছাড়া হয়েছে। দুদকসহ বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়।
বন অধিদপ্তরের নীতি নির্ধারকের কয়েকজন এই চক্রান্তে জড়িত বলে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়। উল্লেখ্য তিনি যোগদানের পর চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন বিভাগসমুহে বন অপরাধ দমন, বনভূমি দখল হ্রাসও উপকূলীয় বন রক্ষাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন।
মতামত দিন