• ২০২৬ এপ্রিল ১৩, সোমবার, ১৪৩২ চৈত্র ২৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী অপহরণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ।

  • প্রকাশিত ০২:০৪ পূর্বাহ্ন সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৬
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী অপহরণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ।
file
হাসিনুর রহমান হাসু। জেলা প্রতিনিধি, টাংগাইল।

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী অপহরণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের হরিজন পল্লির এক হিন্দু স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার জাজিরা পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা সাধনা রানী হরিজন টাঙ্গাইল সদর থানায় আবির হোসেন ওরফে দ্বীন ইসলামকে প্রধান আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার শান্তি কুঞ্জ মোড় এলাকার বাসিন্দা জীবন হরিজনের মেয়ে দীপিকা রানী হরিজন পরী (নবম শ্রেণির ছাত্রী) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে দ্বীন ইসলামের সঙ্গে পরিচিত হন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলাম কৌশলে তাকে তুলে নিয়ে যায় এবং জাল জন্মসনদ ও নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত করে এক লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই উভয়েই আত্মগোপনে রয়েছেন।

এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পর টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য অভিযান শুরু করে। পুলিশের একটি দল ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালালেও ভিকটিমকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে এ ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্তের মা ও মামাকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিভা রানী বর্মন।

অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে ওই ছাত্রী স্বেচ্ছায় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তবে ভিডিওটি নিয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

এ বিষয়েক ছাত্রীর মা সাধনা রানী হরিজন আক্ষেপ করে বলেন, তার মেয়েকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তিনি তার মেয়েকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ভিকটিমকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


সর্বশেষ