মোহাম্মদ পুর সাব রেজিস্টার অফিসের নকল নবিশ আওলাদ হোসেন গংদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য....
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের উমেদার মূলত কোনো আইনি পদ নয়, বরং তারা মৌখিকভাবে বা দৈনিক মজুরিভিত্তিক (কখনো মাত্র ৬০ টাকা বা অনির্ধারিত) চুক্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত অস্থায়ী কর্মচারী। তারা দলিল লেখক বা সাব-রেজিস্ট্রারের আদেশে অফিস দাপ্তরিক কাজের সহায়তা করার পাশাপাশি ঘুষ আদান-প্রদান ও অনিয়মের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে [১, ৮, ১৪]।
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের উমেদার সম্পর্কে মূল বিষয়:
নিয়োগের ভিত্তি: কোনো স্থায়ী বা সরকারি নিয়োগপত্র ছাড়াই সাব-রেজিস্ট্রার বা দলিল লেখকদের মাধ্যমে এরা "উমেদার" বা সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করে [১, ৮]।
দায়িত্ব: দলিলপত্র আনা-নেওয়া, সিরিয়াল বজায় রাখা এবং বিভিন্ন ফাইলের কাজে অফিসের কর্মচারী ও দলিল লেখকদের সহায়তা করা।
আইনি অবস্থান: এরা সরকারি কর্মচারী নন, তাই তাদের কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্ব বা কাজের পরিধি আইনিভাবে সংজ্ঞায়িত নয়।
দুর্নীতি ও অনিয়ম: উমেদারদের প্রধান অভিযোগ হলো, তারা দলিল লেখকদের হয়ে সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘুষ প্রদান এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্ধারিত ফিসের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে [১, ৩]।
নিয়ন্ত্রণ: সাধারণত সাব-রেজিস্ট্রার বা অফিসের প্রধান সহকারী তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেন [১]।
সতর্কতা:
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল বা অন্যান্য কাজ করার সময় অফিসিয়াল ফিস ছাড়া যেকোনো উমেদার বা কর্মচারীকে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সব কাজ, বিশেষ করে দলিলের ফিস ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দেওয়া উচিত [১১]।তবে
আওলাদ হোসেন গংদের চিত্র ভিন্ন ওপেন ঘুষ নেওয়ার ভিডিও এসেছে আমাদের হাতে। এই আওলাদ হোসেন গংরা বিগত আওয়ামী সরকারের সময় স্থানীয় আওয়ামী কমিশনার সফি উল্লাহ সফির ছত্রছায়ায়। তেজগাঁও এর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে উমেদার ও নকল নবিশ হলেও সে চালাতেন ইস্টিম রোলার। তখন এই আওলাদ বাহিনীর ভয়ে মুখ খুলতে পারতো না অন্য সব সাব রেজিস্ট্রার অফিসের নকল নবিশ ও উমেদাররা। এমন অভিযোগ করে সাধারণ নকল নবিশ উমেদার, তবে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েকজন তথ্য নিশ্চিত করেন। বিগত আওয়ামী সরকারের সময় স্থানীয় আওয়ামী কমিশনার সফি উল্লাহ সফির সাথে সক্ষতার প্রমাণ পাওয়া যায় বিভিন্ন পোষ্টার,ফেস্টুন থেকে। আওয়ামী সরকারের পতন এর পর ডক্টর ইউনুস এর সরকার চলে গেলেও বহাল তবিয়তে এই আওলাদ বাহিনী। মোহাম্মদ পুর সাব রেজিস্টার অফিসে দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে হলে সরকারী ফির বাহিরে গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা, আর তা না হলে পোহাতে হয় অনেক জ্বালা। যেমন পর্চা, নয় ছয়, খাজনা সমস্যা, মালিকানা ঝামেলা, দাগ খতিয়ান ঠিক নাই এমন সব অভিযোগ এনে হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের টাকা। আর যদি টাকা দেওয়া হয় তাহলে নালরে,খাল,ভিটারে নাল,আবাসিকরে অনাবাসিক, করে সরকারি ফি কমিয়ে দেওয়া হয় দলিল। এই ৬০ টাকা ডেলি হাজিরার উমেদার ও নকল নবিশ চড়েন দামী গাড়ি, থাকেন আলিসান ফ্ল্যাটে ভ্রমণ করে বিদেশে এদের রয়েছে বিশাল সম্পদের পাহাড় । অনুসন্ধানে আরও জানা যায় বিগত ১৮/৩/২০২৬ তারিখ গুলশান অফিসের নকল নবিশ এর নিকট ১০ লক্ষ টাকা চাঁদাদাবির অভিযোগে তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল থানায় একটি মামলা হয় যার নং ১০ আওলাদ হোসেন ও তার সহোদর ভাই মোহাম্মদ আকিব গংদের বিরুদ্ধে । তবুও থেমে নেই এই দুর্ধষ নকল নবিশ আওলাদ হোসেন গংরা শুধুই মোহাম্মদ পুর সাব রেজিস্টার অফিস নয় ঢাকার সব সাব রেজিস্ট্রার অফিস দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। এমন অভিযোগ অন্যান্য নকল নবিশ ও উমেদারদের, তবে এরা কেই বৈধ নিয়োগ প্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী নয় যা সরকারের গেজেট অনুযায়ী দেখা যায়। কিন্তু এই উমেদার বা নকল নবিশ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের বস। এদের ইশারা ছাড়া কোনো দলিল সই করেন না সাব রেজিস্ট্রার এমন অভিযোগ সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।
এই সব অনিয়ম দূর্নীতির বিষয় জানতে মোহাম্মদ পুর সাব রেজিস্টার আব্দুল কাদিরের সাথে মোবাইল ফোন যোগাযোগ করলে তিনি ফোন ধরেননি যার কারণে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মতামত দিন