• ২০২৬ এপ্রিল ২১, মঙ্গলবার, ১৪৩৩ বৈশাখ ৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৪ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

বাংলাদেশের ইতিহাস বলে ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে ।অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছে ।

  • প্রকাশিত ১১:০৪ অপরাহ্ন মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬
বাংলাদেশের ইতিহাস বলে ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে ।অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছে ।
File
রেজাউল ইসলাম আশিক

বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল। 


ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।


এমনকি আমাদের কথিত জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ওরফে রঠা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছে, পূর্ব বাংলা যেন উন্নত না হতে পারে তাই ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশ গঠনের তীব্র বিরোধিতা করেছে। 


পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন দেখে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশকে আলাদা করার জন্য এই হিন্দু ভারতীয় দালালরা উঠেপড়ে লাগে। তৈরী করে বৈষম্যের মিথ্যা বয়ান।


▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।


◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)

◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)

◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)

◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)

◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)


▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।


◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল

◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল

◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল

◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল


উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা। 


 ▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে 


◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)

◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)

◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)

◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ


উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে। 


▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। 


◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)

◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)

◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)

◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)

◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)

◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)


উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷ 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়। 


▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷ 


▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। 


◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)

◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)

◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)

◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)


উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। 


▶️ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)" 


▶️ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে.... 


◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"। 

◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।


◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল। 


★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!


১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।


★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।


▶️শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা


◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)


◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী


◾ সংসদ ভবন

◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ 

◾ বাংলা একাডেমি 

◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন) 

◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা

◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)

◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা 

◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)

◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত) 

◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)

◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র 

◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র 

◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল 

◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প

◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন

◾ ঢাকা স্টেডিয়াম

◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)

◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প

◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন 

◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।


◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)

◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান

◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি 

◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)

◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী

◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা

◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা

◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।


◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১

◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯

◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০

◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮

◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক

◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩

◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক

◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।


◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২

◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩

◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩

◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩

◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।


১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।


তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।


তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।


তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।


দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে। 


তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।


এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে। 


আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশ যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। ভারতই ঠিক করে বাংলাদেশের ক্ষমতায় কে থাকবে। 


ইউরোপের দেশগুলো বিচ্ছিন্ন থাকার চেয়ে এক হয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন হয়েছে; যাদের সবার একই মুদ্রা, একই পার্লামেন্টে ও আদালত আছে। একটা দেশের মত তারা সবাই বিনা ভিসায় ইউনিয়নের সব দেশে ভ্রমণ করতে পারে। আমেরিকা ৫০ টি রাজ্য মিলে এক হয়ে যুক্তরাষ্ট্র হয়েছে। ইংল্যান্ড ৪ টি রাজ্য মিলে হয়েছে যুক্তরাজ্য, ভারতে ২৮ টি রাজ্য মিলে একসাথে থাকছে।


অথচ আমরা মাত্র ৫ টি প্রদেশ এক হয়ে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান একসাথে যুক্ত থাকতে পারলাম না। মিডেল ইস্টে শহরের মত ছোট ছোট এলাকা তুর্কী খেলাফত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার নামে আলাদা দেশ গঠন করে আমেরিকার স্থায়ী গোলামে পরিনত হয়েছে। আর আমরা কথিত স্বাধীনতার নামে ভারতের স্থায়ী গোলামে পরিনত হয়েছি।


আল্লাহর দুশমনেরা সবাই এক হয়ে শক্তিশালী হচ্ছে আর আমাদের কথিত স্বাধীনতার নামে বিচ্ছিন্ন করে ওদের গোলামে পরিনত করেছে। 


পাকিস্তান আমলে ৪ জন গভর্নরের মধ্যে ২ জন ছিল বাংলাদেশের। ৮ জন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ৪ জন ছিল বাংলাদেশের এবং তাদের সম্মিলিত মেয়াদকাল পশ্চিম  পাকিস্তানের ৪ টি প্রদেশ থেকে হওয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মিলিত মেয়াদকালের চেয়ে বেশি ছিল। এরপরেও বলা হচ্ছে আমরা নাকি ছিলাম পাকিস্তানের অধীন! পরাধীন! 


এই কথিত পরাধীনতার গল্প শুনিয়ে স্থায়ীভাবে যারা ভারতের গোলাম বানালো এই দেশকে, তারা সবাই স্বাধীনতার শত্রু। দেশবিরোধী ।


(((((লেখা : সংগৃহীত ও পরিমার্জিত))))

সর্বশেষ