• ২০২৬ অগাস্ট ২১, শুক্রবার, ১৪৩৩ ভাদ্র ৬
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৮ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

মির্জা ফখরুল আজ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন

  • প্রকাশিত ১১:০৮ অপরাহ্ন শুক্রবার, অগাস্ট ২১, ২০২৬
মির্জা ফখরুল আজ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন
টাইম বাংলা নিউজ
বিশেষ প্রতিনিধি : মোঃ শাখাওয়াত হোসেন

মির্জা ফখরুল আজ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন

বঙ্গভবনে সন্ধ্যায় শপথ অনুষ্ঠান, নতুন রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা

বিশেষ প্রতিনিধি: মোঃ সাখাওয়াত হোসেন | টাইম বাংলা নিউজ

ঢাকা, ২১ আগস্ট ২০২৬: বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপির প্রবীণ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত ভোটে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

বঙ্গভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি তাঁকে রাষ্ট্রপতির শপথবাক্য পাঠ করাবেন। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নতুন দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।

রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা মির্জা ফখরুল এবার রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে আসছেন এমন এক সময়ে, যখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপতি পদটি মূলত সাংবিধানিক ও আনুষ্ঠানিক দায়িত্বকেন্দ্রিক হলেও বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ও আস্থার পরিবেশ তৈরিতে তাঁর ভূমিকা নিয়েও আলোচনা চলছে।

এদিকে আজকের দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে স্মরণীয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ২২ বছর পূর্ণ হয়েছে। ফলে রাজনৈতিক পরিবর্তনের এই সময়ে রাষ্ট্রপতির শপথ এবং ২১ আগস্টের ঐতিহাসিক স্মৃতি—দুটি ঘটনাই আজ দেশের রাজনৈতিক আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন রাষ্ট্রপতির সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী করা। শপথের পর তাঁর কার্যক্রম ও বক্তব্যের দিকে তাই দেশের রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের নজর থাকবে।

সর্বশেষ