*বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাময়িক বন্ধ, দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদের তাগিদ।*
*উপশিরোনাম:* পিএইচপির দুর্বলতায় সাইবার হামলার শঙ্কা, সতর্ক বাংলাদেশ।
বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব প্রযুক্তি পিএইচপিতে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে আক্রান্ত সার্ভারে অননুমোদিতভাবে কোড চালানো এবং ওয়েবসেবা ব্যাহত করার আশঙ্কা রয়েছে। ঝুঁকি মোকাবেলায় ঞবিভিন্ন দেশের সরকারি সংস্থা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। বাংলাদেশেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে নিরাপত্তা যাচাই ও সফটওয়্যার হালনাগাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় গতকাল সন্ধ্যা থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। মধ্যরাতে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওয়েবসাইটটি সচল হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, নিরাপত্তা জোরদার ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সাইটটি পুনরায় চালু করা হবে।
পিএইচপির দুর্বলতা প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্বজুড়ে হামলার চেষ্টা কয়েক মিলিয়নে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ক্লাউড সেবা প্রতিষ্ঠান ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান নির্বাহী ম্যাথিউ প্রিন্স। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এসব প্রচেষ্টার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ সার্ভার শনাক্ত, নিরাপত্তা প্যাচ প্রয়োগ এবং সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের আলামত পরীক্ষা করাকে জরুরি মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
*ঝুঁকিতে সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসেবা*
বিশ্বের বিপুলসংখ্যক ওয়েবসাইট পিএইচপির ওপর নির্ভরশীল। ওয়েব প্রযুক্তি ব্যবহারের তথ্য শনাক্ত করা যায়—এমন সাইটগুলোর প্রায় ৭০ শতাংশে এ প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহৃত হয়। জনপ্রিয় কনটেন্ট ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেসও পিএইচপিনির্ভর। ফলে এ প্রযুক্তিতে গুরুতর নিরাপত্তা দুর্বলতা দেখা দিলে তার প্রভাব বহু দেশের ওয়েবসাইট ও অনলাইন সেবায় পড়তে পারে।
বিশেষ করে পিএইচপির ঝুঁকিপূর্ণ বা পুরনো সংস্করণে পরিচালিত এবং সরাসরি ইন্টারনেট থেকে প্রবেশযোগ্য সার্ভারগুলো বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সরকারি পোর্টাল, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এর আওতায় পড়তে পারে।
বাংলাদেশে কতটি সরকারি ওয়েবসাইট পিএইচপিতে পরিচালিত হয়, তার সুনির্দিষ্ট প্রকাশিত হিসাব নেই। তবে দেশের সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসাইটের বড় একটি অংশ এ প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ঝুঁকি যাচাইয়ের কাজ দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন প্রযুক্তিবিদরা।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ডিজিটাল ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানভীর হাসান জোহা এক বার্তায় বলেন, পিএইচপির নিজস্ব ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ সংস্করণে পরিচালিত সার্ভার আক্রান্ত হতে পারে। ত্রুটির ধরন ও আক্রান্ত সংস্করণের ওপর নির্ভর করে কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড ছাড়াই দূর থেকে সার্ভারে কোড চালানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, প্রথমেই কোন কোন প্রতিষ্ঠান পিএইচপির কোন সংস্করণ ব্যবহার করছে, তার তালিকা তৈরি করা দরকার। সরাসরি ইন্টারনেট থেকে প্রবেশযোগ্য সার্ভারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সংশোধিত সংস্করণে হালনাগাদ করতে হবে। হালনাগাদ সম্ভব না হওয়া পর্যন্ত ফায়ারওয়ালসহ অন্যান্য নিরাপত্তাব্যবস্থা ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে এগুলো স্থায়ী সমাধান নয়।
তানভীর হাসান জোহা আরও বলেন, প্রয়োজন হলে ঝুঁকিপূর্ণ ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ের সার্ভার লগ পরীক্ষা করে অস্বাভাবিক অনুরোধ, অনুপ্রবেশের চেষ্টা কিংবা অন্য কোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
*সতর্ক বিজিডি ই-গভ সার্ট*
পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে বাংলাদেশেও সতর্কতা জারি করেছে বিজিডি ই-গভ সার্ট। সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামো পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ ব্যবস্থায় পিএইচপির ব্যবহার শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা হালনাগাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি প্রবেশযোগ্য সার্ভারগুলো দ্রুত পরীক্ষা করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা হালনাগাদ সম্ভব না হলে ঝুঁকিপূর্ণ সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা, প্রবেশাধিকার সীমিত করা এবং সার্ভারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিজিডি ই-গভ সার্ট প্রকল্পের পরিচালক মো. নাজমুল হক খন্দকার এ বিষয়ে বলেন, নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে সতর্কতা জারির পর এটুআই ও ডেটা সেন্টার কোম্পানিকে অবহিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি রয়েছে, তারা প্রয়োজনে ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে নিরাপত্তা প্যাচ হালনাগাদ করতে পারে।
তিনি জানান, গত রাত পর্যন্ত এ ধরনের হামলার বিষয়ে সার্টের কাছে কোনো তথ্য ছিল না। তবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নিরাপত্তা হালনাগাদের কাজ শুরু করেছে।
*বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ*
নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে গতকাল সন্ধ্যা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করলে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণকাজের জন্য সেবা বন্ধ থাকার বার্তা দেখা যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এক বার্তায় বলেন, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাইবার হামলার লক্ষ্য হওয়ায় সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হলে ওয়েবসাইটটি আবার চালু করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পিএইচপির এ দুর্বলতাকে সরাসরি কোর ব্যাংকিং ব্যবস্থার সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে ব্যাংকের ওয়েবসাইট, গ্রাহকসেবা পোর্টাল এবং অন্যান্য ইন্টারনেটনির্ভর সেবা ঝুঁকিপূর্ণ সংস্করণে পরিচালিত হলে তথ্য চুরি, অননুমোদিত প্রবেশ কিংবা সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
তথ্য অনুযায়ী, জাপানের আর্থিক খাতেও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশটির বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান নোমুরা ও মিতসুবিশি ইউএফজে ফাইন্যান্সিয়াল গ্রুপ কিছু ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। বীমা প্রতিষ্ঠান টোকিও মেরিন হোল্ডিংসও তাদের গ্রুপ ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখে।
ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান বলেন, কোর ব্যাংকিং ব্যবস্থায় পিএইচপির ব্যবহার খুবই সীমিত। কোনো কোনো ব্যাংকের ওয়েবসাইটে এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হতে পারে। তবে ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতাকে কোর ব্যাংকিং ব্যবস্থার সংকটের সঙ্গে এক করে দেখলে অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক তৈরি হতে পারে।
*ইউরোপ-এশিয়ায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ*
নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কিছু অনলাইন সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ বা সীমিত করা হয়েছে। জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ডের বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসেবায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জাপানেও সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান তাদের অনলাইন ব্যবস্থার নিরাপত্তা যাচাই করছে।
এ ধরনের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো ঝুঁকিপূর্ণ সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশের সুযোগ কমানো এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা হালনাগাদ সম্পন্ন করা। তবে সব দেশ বা প্রতিষ্ঠানের সব ওয়েবসাইট বন্ধ রয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পিএইচপির ত্রুটির সুযোগ নিয়ে কোনো সার্ভারে প্রবেশ করতে পারলে আক্রমণকারী তথ্য দেখা বা পরিবর্তন, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি কিংবা ওয়েবসেবা অচল করার চেষ্টা করতে পারে। তবে প্রকৃত ক্ষতির মাত্রা নির্ভর করবে ব্যবহৃত পিএইচপি সংস্করণ, সার্ভারের কনফিগারেশন এবং অন্যান্য নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর।
*পুরনো প্রযুক্তিতে বাড়ছে উদ্বেগ*
সিঙ্গাপুরে ওমরন হেলথকেয়ারের ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ড. মশিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো পুরনো প্রযুক্তি ও পিএইচপি সংস্করণের ওপর নির্ভরশীল। এ কারণে ঝুঁকি মোকাবেলায় দ্রুত নিরাপত্তা প্যাচ প্রয়োগ করা জরুরি।
তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত সফটওয়্যার, সিস্টেম ও ফ্রেমওয়ার্ক নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি নির্ধারিত সময় পরপর নিরাপত্তা অডিট করতে হবে, যাতে দুর্বলতা শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুকর্ণ বড়ুয়া বলেন, কোনো সফটওয়্যারের পুরনো সংস্করণে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সমর্থন বন্ধ হয়ে গেলে নতুন নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পরও সেটির সমাধান নাও পাওয়া যেতে পারে। তাই সমর্থিত ও হালনাগাদ সংস্করণ ব্যবহার করা জরুরি।
তিনি বলেন, শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না হলেও নিয়মিত হালনাগাদ ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে। গুরুতর দুর্বলতার ক্ষেত্রে দ্রুত প্যাচ প্রয়োগ সম্ভব না হলে ঝুঁকিপূর্ণ সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
*সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব*
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির (এনসিএসএ) মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, সার্ট ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন, নিরাপত্তা হালনাগাদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নে কাজ চলছে। ঝুঁকিপূর্ণ সিস্টেম দ্রুত সুরক্ষিত করার পাশাপাশি সরকারি ডিজিটাল সেবার ধারাবাহিকতা ও নির্ভরযোগ্যতা বজায় রাখাও তাদের অগ্রাধিকার।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামোগুলোকে সতর্ক করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা খাতে সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। প্রথমত, কোন কোন সরকারি ও বেসরকারি ওয়েবসাইট এবং অনলাইন সেবা ঝুঁকিপূর্ণ পিএইচপি সংস্করণে চলছে, তা দ্রুত শনাক্ত করা। দ্বিতীয়ত, নিরাপত্তা হালনাগাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সার্ভারগুলোতে ইতোমধ্যে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বা হামলার কোনো আলামত রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।
তাদের মতে, শুধু ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা বা সফটওয়্যার হালনাগাদ করেই দায়িত্ব শেষ করা যাবে না। নিয়মিত নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ, দ্রুত দুর্বলতা শনাক্তকরণ, তথ্য অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এ ধরনের বৈশ্বিক সাইবার ঝুঁকি মোকাবেলা করা সম্ভব।
মতামত দিন