• ২০২৬ অক্টোবর ২৩, শুক্রবার, ১৪৩৩ কার্তিক ৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:১০ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

৬৬০৮ কোটি টাকায় পুলিশের জন্য ৫৮৩০টি গাড়ি কেনার প্রস্তাব

  • প্রকাশিত ০৩:১০ অপরাহ্ন শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২৬
৬৬০৮ কোটি টাকায় পুলিশের জন্য ৫৮৩০টি গাড়ি কেনার প্রস্তাব
Time Bangla news
মোঃ মিজানুর রহমান | কুমিল্লা ব্যুরো চিফ প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ


৬৬০৮ কোটি টাকায় পুলিশের জন্য ৫৮৩০টি গাড়ি কেনার প্রস্তাব

২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩১

বাংলাদেশ পুলিশের দীর্ঘদিনের যানবাহন সংকট দূর করা, জরুরি সেবার মানোন্নয়ন এবং সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রম শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন ক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৬০৮.১৪ কোটি টাকা। এই অর্থায়নে দুটি পৃথক প্রকল্প বিবেচনা ও অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) পেশ করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সচিবালয়ে অনুষ্ঠাতব্য আগামী ২৫ অক্টোবরের একনেক সভায় সভাপতিত্ব করবেন একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রস্তাবিত মোট বিনিয়োগের মধ্যে ৪ হাজার ৮২৯টি সাধারণ অপারেশনাল যানবাহন কেনার জন্য ৪ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা এবং এক হাজার ১টি বিশেষায়িত যানবাহনের জন্য ২ হাজার ২৮০.১৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত এ প্রকল্প দুটির মেয়াদকাল ধরা হয়েছে অক্টোবর ২০২৬ থেকে জুন ২০২৯ পর্যন্ত।

প্রকল্প প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়, দেশের ৬৩৯টি প্রশাসনিক থানা বর্তমানে মাত্র ১ হাজার ২৩৭টি যানবাহন নিয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় সেবা দিচ্ছে। অর্থাৎ থানা প্রতি গড়ে দুটিরও কম গাড়ি রয়েছে এবং বিদ্যমান যানবাহনের প্রায় ৬৪ শতাংশই ১০ বছরেরও বেশি পুরোনো। এর ফলে নিয়মিত টহল, জরুরি সাড়াদান এবং প্রয়োজনের সময় দ্রুত ফোর্স মোতায়েনে পুলিশকে বেগ পেতে হচ্ছে। এই প্রস্তাবিত বিনিয়োগ পুলিশের গতিশীলতা বাড়াবে এবং অপরাধ দমন ও অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বিশেষায়িত যান প্রকল্পের অধীনে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ গাড়ি, অল-টেরেইন ভেহিকল (এটিভি), মোবাইল কমান্ড সেন্টার এবং ক্রাইম সিন ভ্যান কেনা হবে, যা জনতা ব্যবস্থাপনা, দুর্গম এলাকায় অভিযান ও তদন্তে আলামত সংগ্রহে কাজে লাগবে। এ ছাড়া দেশের বিশাল নৌপথ পাহারা, কেপিআই এলাকার নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ও উদ্ধার তৎপরতার জন্য স্পিডবোট এবং ইঞ্জিনচালিত নৌকা কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে।

অর্থবছরভিত্তিক ব্যয়ের পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২ হাজার ৮০.৯৪ কোটি টাকা, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২ ঝাজার ৮৬৭.৫৫ কোটি টাকা এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ১ হাজার ৬৬০.৫৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

যানবাহন সংগ্রহের পাশাপাশি চালক ও মেকানিক তৈরির জন্য উভয় প্রকল্পেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিচালনগত প্রকল্পে ১ হাজার জন এবং বিশেষায়িত প্রকল্পে ৯৬০ জন সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে গাড়ি মেরামতের যন্ত্রপাতির জন্য দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।



সর্বশেষ