• ২০২৬ নভেম্বর ০৫, বৃহস্পতিবার, ১৪৩৩ কার্তিক ২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১১ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

লক্ষ্মীপুরে ১৪৩ শতাংশ জমিতে লাল শাপলার স্বর্গ, মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা।*

  • প্রকাশিত ০৬:১১ অপরাহ্ন বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে ১৪৩ শতাংশ জমিতে লাল শাপলার স্বর্গ, মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা।*
Timফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ।e Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ।

*লক্ষ্মীপুরে ১৪৩ শতাংশ জমিতে লাল শাপলার স্বর্গ, মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা।*

ভোরের প্রথম আলোয় একসঙ্গে ফুটে ওঠে হাজারো লাল শাপলা। পানির ওপর পাপড়ি মেলে থাকা ফুলের ফাঁকে উড়ে বেড়ায় এ প্রজাপতি ও ভ্রমর। পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। প্রকৃতির এমন অপরূপ দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীরা। লক্ষ্মীপুরের পূর্ব চরমনসা গ্রামের ‘সাহেববাড়ির শাপলাবাগান’ এখন সৌন্দর্যপিপাসু মানুষের এক আকর্ষণীয় গন্তব্য।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তেওয়ারিগঞ্জ ইউনিয়নের ভবানীগঞ্জ-কুশাখালী-নোয়াখালী সড়কের পাশে অবস্থিত বাগানটি। সূর্যোদয়ের পরপরই লাল শাপলার সৌন্দর্যে বদলে যায় পুরো জলাভূমির দৃশ্য। সকাল হলেই পরিবার-পরিজন নিয়ে সেখানে ছুটে আসেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর পাশাপাশি ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখেন অনেকে।

জানা গেছে, ২০২০ সালে নিজের ১৪৩ শতাংশ জমিতে পরিকল্পিতভাবে শাপলাবাগানটি গড়ে তোলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম। বরিশালের উজিরপুর থেকে লাল শাপলার কন্দ সংগ্রহ করে জমিতে রোপণ করেন তিনি। নিছক শখ, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও এলাকার সৌন্দর্য বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই তাঁর এ উদ্যোগ। নিয়মিত পরিচর্যায় ছোট পরিসরের সেই উদ্যোগ এখন হাজারো শাপলার বাগানে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ ইস্রাফিল বলেন, শাপলাবাগানটি এলাকার পরিবেশে নতুন সৌন্দর্য যোগ করেছে। প্রতিদিন সকালেই নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন। আশপাশে এমন মনোরম জায়গা না থাকায় বাগানটি মানুষের অবসর কাটানোর অন্যতম স্থান হয়ে উঠেছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন সুন্দর পরিবেশ তৈরির জন্য অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

লক্ষ্মীপুর থেকে পরিবারের সঙ্গে বাগান দেখতে আসা শিক্ষার্থী মিম বলেন, অনেকের কাছে বাগানটির সৌন্দর্যের কথা শুনেছেন। সরাসরি এসে দেখে তাঁর খুব ভালো লেগেছে।

কলেজশিক্ষার্থী মো. ফুহাদ হাসান বলেন, বাগানটি এখন প্রাকৃতিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তবে কিছু দর্শনার্থী শখ করে ফুল ছিঁড়ে ফেলছেন। এতে বাগানের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি প্রকৃতির ভারসাম্যও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দর্শনার্থীদের এ বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

বাগানের উদ্যোক্তা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মূলত শখ থেকেই নিজের জমিতে শাপলা চাষের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এখন তাঁর এই উদ্যোগে অন্যরাও আনন্দ পাচ্ছেন, যা তাঁকে উৎসাহিত করে। তিনি বলেন, এলাকায় বিনোদন ও প্রকৃতি উপভোগের মতো জায়গা খুব বেশি নেই। শাপলাবাগানটি অনেক মানুষের ভালো লাগার জায়গা হয়ে উঠেছে। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বাগানটির আরও উন্নয়ন করতে চান তিনি।

সর্বশেষ