• ২০২৬ অক্টোবর ০৪, রবিবার, ১৪৩৩ আশ্বিন ১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

এলপিজি নেই, ২৩০০ দিলেই বাসায়!*

  • প্রকাশিত ০৫:১০ পূর্বাহ্ন রবিবার, অক্টোবর ০৪, ২০২৬
এলপিজি নেই, ২৩০০ দিলেই বাসায়!*
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ।

*এলপিজি নেই, ২৩০০ দিলেই বাসায়!* 


 *উপশিরোনাম:* নির্ধারিত দামের বাইরে ৬–৭০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট খতিয়ে দেখছে সরকার। 

দোকানে সিলিন্ডার নেই। তবে বাড়তি টাকা দিলে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব মিলছে। কোথাও ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য নির্ধারিত দামের চেয়ে ৬০০–৭০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আবার অভিযান এড়াতে দোকান বন্ধ রেখেও গোপনে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

এলপিজির এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত দামের বেশি নেওয়া কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে সংকট তৈরি করার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

এর আগে আমদানিকারক ও অপারেটররা জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিলেন, দেশে এলপিজির সংকট নেই। কিন্তু এরপরও রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় সিলিন্ডার না পাওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। এতে খুচরা বাজারে সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিছু এলাকায় দোকানিরা সিলিন্ডার নেই বলে ক্রেতাদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন। আবার পরিচিত ক্রেতাদের বাড়তি দামে বাসায় সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি কেনার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।

আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও আমদানি পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই বাজারে সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

তবে খুচরা পর্যায়ের বাড়তি দামের দায় আমদানিকারকদের ওপর চাপাতে নারাজ এলপিজি অপারেটররা। লোয়াবের সভাপতি আমিরুল হক বলেছেন, দেশে হাজার হাজার খুচরা ব্যবসায়ী রয়েছেন। তাঁদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করেন না আমদানিকারকেরা। কোথাও বেশি দামে বিক্রি হলে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

অন্যদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, কেউ অতিরিক্ত মুনাফার জন্য দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে সরকার হস্তক্ষেপ করবে। এলপিজির দাম কেন বাড়ছে এবং কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কি না, তা বের করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠেছে—দেশে সংকট নেই বলে আমদানিকারকদের দাবি সত্য হলে খুচরা বাজারে সিলিন্ডার যাচ্ছে কোথায়? আর দোকানে না পাওয়া গেলেও বাড়তি টাকা দিলেই বাসায় পৌঁছে দেওয়ার এই ব্যবস্থা কীভাবে চলছে?

সর্বশেষ