**সীমান্ত ও ইমিগ্রেশনে প্রযুক্তি সহযোগিতা দিতে চায় সিঙ্গাপুর ।*
*উপশিরোনাম:* স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে নিরাপত্তা আধুনিকায়নে কারিগরি সহায়তার প্রস্তাব ।
বাংলাদেশের সীমান্ত ও ইমিগ্রেশন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর করতে কারিগরি সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুর। বিশেষ করে বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং নিরাপত্তা সক্ষমতা উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়ে দেশটির পক্ষ থেকে আগ্রহ জানানো হয়েছে।
রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের বিদায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতার পাশাপাশি পুলিশ ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং ইমিগ্রেশন কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনাও উঠে আসে।
সিঙ্গাপুরের প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে বাণিজ্যিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও বিস্তৃত করতে বাংলাদেশে সিঙ্গাপুরের পূর্ণাঙ্গ হাইকমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া শিগগির সম্পন্ন হবে বলেও তিনি জানান।
সাক্ষাতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, দেশের সীমান্ত ও বিমানবন্দরগুলোতে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো, পুলিশের প্রশিক্ষণ এবং উগ্রবাদ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার সুযোগ রয়েছে।
বৈঠকে সিঙ্গাপুরের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।
সাক্ষাতে সিঙ্গাপুর মিশন প্রধানের উত্তরসূরি ফিলিপ ওং, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং সিঙ্গাপুর মিশনের দ্বিতীয় সচিব ধান্য লিঙ্গেশসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মতামত দিন