• ২০২৬ অক্টোবর ১৩, মঙ্গলবার, ১৪৩৩ আশ্বিন ২৭
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

জেলা কমিটিতে স্থান পেয়েছে পি,এম,খালী ছাত্রলীগের তৃণমূলের ত্যাগী চার নেতা

  • প্রকাশিত ০৪:১০ পূর্বাহ্ন মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬
জেলা কমিটিতে স্থান পেয়েছে পি,এম,খালী ছাত্রলীগের তৃণমূলের ত্যাগী চার নেতা
Time Bangla news
মতিউল ইসলাম,কক্সবাজার

জেলা কমিটিতে স্থান পেয়েছে পি,এম,খালী ছাত্রলীগের তৃণমূলের ত্যাগী চার নেতা 


কক্সবাজার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জেলা শাখার ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২৯ পৃষ্ঠার অনুমোদনপত্রে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে ৮৩৭ জনের নাম রয়েছে। তার মধ্যে সদর পিএমখালী ইউনিয়নের তৃণমূল ছাত্র লীগের চারক মুজিব আদর্শের সৈনিককে দেখা গিয়েছে। তারা হলেন,আব্দুল মতিন(টিপু) প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, নুরুল আফসার সহ- সম্পাদক, জয়ফুল ইসলাম (চৌধুরী) সদস্য, 

মোঃ আশরাফ (নুর) সদস্য। 

ছাত্র লীগের দুঃসময়ে এই চার নেতাদের মূল্যায়ন করাই,তৃণমূলের নেতাদের মধ্যে সন্তুষ্টি দেখা গিয়েছে। 

গত (৮ অক্টোবর) দুপুরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসাইনের ফেসবুক পেজে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি প্রকাশ করে।

অনুমোদনপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কমিটিতে সাদ্দাম হোসাইনকে সভাপতি এবং আবু মো. মারুফ আদনানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৯২ জনকে সহসভাপতি, ২২ জনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২০ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

 বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সম্পাদক ও উপসম্পাদক পদে ২৬৭ জন, সহসম্পাদক পদে ১৮০ জন এবং সদস্য পদে ১৭৫ জনকে রাখা হয়েছে। কমিটির পদসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন সহসভাপতি। ১৯২ জনকে এ পদে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সম্পাদক ও উপসম্পাদক মিলিয়ে ২৬৭ জন এবং সহ-সম্পাদক হিসেবে আরও ১৮০ জনকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 ২০২০ সালের ২ নভেম্বর কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে ১৪ সদস্যের নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তৎকালীন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির মেয়াদ এক বছর নির্ধারণ করা হয়। ওই সময় সভাপতি হিসেবে এস এম সাদ্দাম হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু মো. মারুফ আদনানের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।

তবে নির্ধারিত এক বছরের মধ্যে ওই কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি। যার ফলে অনেক ছাত্র লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা সংগঠন থেকে ছিটকে পড়ে

যা সংগঠনের জন্য অশোভনীয় সংকেত। 

প্রায় ছয় বছর পর দলের দুঃসময়ে এসে ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হলো।

নতুন কমিটি নিয়ে ছাত্রলীগের একাধিক নেতারা বলেন, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কাউকে বঞ্চিত করা হয়নি। যারা কমিটিতে থাকতে চেয়েছেন, তাদের সবাইকে কোনো না কোনো পদে রাখা হয়েছে। তবে এত বড় কমিটিতে পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে কী ধরনের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তারা বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

কমিটিতে বিপুলসংখ্যক পদ সৃষ্টি ও পদ বণ্টনের বিষয়টি নিয়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ৮৩৭ সদস্যের কমিটিতে ১৯২ জনকে সহসভাপতি এবং ২৬৭ জনকে বিভিন্ন সম্পাদক ও উপসম্পাদক পদে রাখার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠেছে।

সর্বশেষ