• ২০২৬ অক্টোবর ১৬, শুক্রবার, ১৪৩৩ আশ্বিন ৩০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আঁচ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স ও জ্বালানি’।

  • প্রকাশিত ০৪:১০ পূর্বাহ্ন শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আঁচ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স ও জ্বালানি’।
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ।

*মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আঁচ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স ও জ্বালানি’।* 


 *উপশিরোনাম:* সৌদি আরবের শ্রমবাজার, রেমিট্যান্স ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ; বাতিল শতাধিক ফ্লাইট, ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী। 

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি বহুমুখী সংকটে পড়তে পারে। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মরত প্রায় ৮০ লাখ বাংলাদেশির নিরাপত্তা, বিদেশে নতুন কর্মসংস্থান এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিমান চলাচলে বিঘ্ন, জ্বালানি আমদানির অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা। সব মিলিয়ে দেশের শ্রমবাজার ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ তিন ভিত্তি—প্রবাসী আয়, কর্মসংস্থান ও জ্বালানি নিরাপত্তা—নতুন চাপে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিদেশি শ্রমবাজার সৌদি আরব। দেশটিতে বসবাস করছেন বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী, যাঁদের পাঠানো অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার জোগান এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে, অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানিপণ্যের জন্যও বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্যের ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল। ফলে এ অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে তার প্রভাব শুধু প্রবাসীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; দেশের বাজার, উৎপাদন ব্যয় ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাতেও পড়তে পারে।

 *ঝুঁকিতে প্রবাসীদের নিরাপত্তা* 

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সৌদি আরবে প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়লে তাঁদের কর্মজীবন ও স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু এবং ২৭ জন আহত হওয়ার তথ্য বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার কথাও জানা গেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশের আগে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নিশ্চিত তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রবাসীদের সতর্ক থাকার, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সংঘাতের ছবি, ভিডিও বা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট দেশের আইন মেনে চলার গুরুত্ব রয়েছে।

 *ফ্লাইট বাতিলে বিপাকে কর্মী ও যাত্রীরা* 

মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির প্রভাব পড়েছে আকাশপথের যোগাযোগেও। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) বরাত দিয়ে দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, ঢাকা থেকে সৌদিগামী সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে ৮৯টি ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। এতে অন্তত ১৪ হাজার ৬৫৫ জন কর্মী, ওমরাহযাত্রী ও সাধারণ যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসও ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও ট্রানজিট ফ্লাইটের সূচিতেও বিঘ্ন ঘটেছে।

ফ্লাইট বাতিলের কারণে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পারলে প্রবাসী কর্মীদের চাকরি হারানো কিংবা নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ, টিকিট পরিবর্তন, আবাসন ও যাতায়াতের বাড়তি খরচ তাঁদের আর্থিক চাপ বাড়াতে পারে। বিশেষ করে বিদেশে যাওয়ার জন্য ঋণ বা ধারদেনা করা কর্মীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 *সৌদি শ্রমবাজারে ধাক্কার আশঙ্কা* 

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই সৌদি আরব ৩২ হাজার ৯১৫ জন বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি দিয়েছে। দেশটির শ্রমবাজার বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান ভরসা হওয়ায় সেখানে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তৈরি হলে নতুন কর্মী পাঠানোর গতি কমে যেতে পারে।

একই সঙ্গে বিদ্যমান কর্মীদের কর্মঘণ্টা, আয় ও চাকরির নিরাপত্তাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে। সংঘাতের কারণে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা তৈরি হলে বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা কমার আশঙ্কা রয়েছে।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফরমের সহযোগী পরিচালক ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞ শরিফুল হাসানের মতে, বাংলাদেশের বিদেশি কর্মসংস্থান দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কর্মী পাঠানো বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের নিরাপত্তা ও আয়ও ঝুঁকিতে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি সরকারের কর্মসংস্থান পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তবে সংঘাতের মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কর্মী গেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 *রেমিট্যান্স কমলে চাপে পড়বে অর্থনীতি* 

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলো থেকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে। সৌদি আরব এই অর্থের অন্যতম প্রধান উৎস।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শুধু সৌদি আরব থেকেই ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। ফলে দেশটিতে কর্মসংস্থান সংকুচিত হলে কিংবা বড়সংখ্যক কর্মী দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

প্রবাসী আয় কমে গেলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়বে প্রবাসী পরিবারের ওপর। অনেক পরিবার দৈনন্দিন ব্যয়, সন্তানের শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসার অর্থায়নে বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থের ওপর নির্ভরশীল। এসব পরিবারের আয় কমে গেলে স্থানীয় বাজারে ভোগব্যয় হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তবে সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতোমধ্যে বড় ধরনের পতন ঘটেছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রয়োজন। পরিস্থিতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নির্ভর করবে সংঘাতের স্থায়িত্ব, শ্রমবাজারের অবস্থা এবং প্রবাসীদের আয় ও অর্থ পাঠানোর সক্ষমতার ওপর।

 *জ্বালানি আমদানিতেও বাড়তি উদ্বেগ* 

প্রবাসী আয় ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ তৈরি করেছে। দেশের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। অপরিশোধিত তেল ও এলএনজির ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহকারীদের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা রয়েছে।

প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব থেকে বছরে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টন অপরিশোধিত তেল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টন তেল আমদানির পরিকল্পনা ও চুক্তি রয়েছে। এসব সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের প্রয়োজন হতে পারে। এতে আমদানি ব্যয় বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এ ছাড়া দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে ব্যবহৃত এলএনজির উল্লেখযোগ্য অংশ কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমদানিকৃত এলএনজির প্রায় ৬৪ শতাংশের উৎস কাতার। আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে জ্বালানি পরিবহনপথ, সরবরাহব্যবস্থা কিংবা আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদনের ব্যয় বাড়তে পারে।

জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য বৃদ্ধি পেলে পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ—সব ক্ষেত্রেই তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকেও কঠিন করে তুলতে পারে।


 *বকল্প প্রস্তুতির তাগিদ* 

সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সাকিব আলী মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে বাংলাদেশের সামনে প্রবাসীদের নিরাপত্তা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান, জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সৌদি আরবের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামের মতে, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বহুমাত্রিক। তাই তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতিও জরুরি। বিদেশে একজন শ্রমিকের কর্মসংস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়লে তার প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট পরিবারের ওপর নয়, দেশের রেমিট্যান্স ও সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কয়েকটি পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা, নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান, দেশে ফিরে আসা কর্মীদের দক্ষতাভিত্তিক পুনর্বাসন এবং জ্বালানি আমদানির বিকল্প উৎস প্রস্তুত রাখা।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা বাংলাদেশের জন্য শুধু পররাষ্ট্রনীতির চ্যালেঞ্জ নয়; এটি কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা ও জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। তাই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি আগাম প্রস্তুতি, কূটনৈতিক তৎপরতা এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বশেষ