কুমিল্লার বুড়িচং সীমান্তে দিনরাত মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগ, বিজিবির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে,
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬। ৮:০৫
কুমিল্লা প্রতিনিধি:
দেশজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের মধ্যেই কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার সংকোচাইল ও খাড়েরা বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ভারত থেকে মাদকসহ অবৈধ পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। দিন-রাত সব সময় এসব কার্যক্রম চললেও তা বন্ধ হচ্ছে না বলে দাবি তাঁদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তের বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে মাদক কারবারি ও অবৈধ পণ্য পাচারকারীরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সীমান্তের নিরাপত্তা, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দিন-রাত সব সময় মাদক ব্যবসা ও অবৈধ মালামাল পাচারের কার্যক্রম চলছে বলে তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই থামছে না। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁরা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।
সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক পাচার প্রতিরোধ এবং অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকানো বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ অবস্থায় স্থানীয়দের প্রশ্ন, সংকোচাইল ও খাড়েরা বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় যদি নিয়মিত মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচারের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তা প্রতিরোধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? সীমান্তে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন কি না, সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সীমান্তের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এদিকে, সংকোচাইল ও খাড়েরা বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিজিবি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বিজিবির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করতে হবে। একই সঙ্গে পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সীমান্তে নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
বিস্তারিত নিউজ আরো সাইড থেকে সরাসরি তথ্য যাচাই-বাছাই করে একটি প্রতিবেদন করার কাজ চলছে।
মতামত দিন