• ২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৩, বুধবার, ১৪৩৩ আশ্বিন ৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:০৯ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

  • প্রকাশিত ০৮:০৯ অপরাহ্ন বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
Time Bangla news
মোঃ মিজানুর রহমান | কুমিল্লা বুরো চিফ প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারত গিয়ে মোদির সঙ্গে দেখা না করলেও, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোনো চিরস্থায়ী বন্ধু বা শত্রু নেই, স্বার্থই শেষ কথা! ১৯৭১ সালে যে স্বাধীনতার স্বার্থে আমরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি, ২০২৬ সালে এসে সেই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থেই এখন পাকিস্তানের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক প্রয়োজন। বর্তমান সরকার ঠিক সেই বাস্তবমুখী পথেই হাঁটছে।

বর্তমানে বিশ্বব্যবস্থায় একের পর এক যুদ্ধ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা-সংকটের মধ্যে ভারত ও মিয়ানমারের মতো প্রতিবেশীদের মোকাবিলার সক্ষমতা এবং আরাকান সীমান্তে FPV ড্রোনের মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশের নিজস্ব নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে উন্নত সামরিক অস্ত্রের কোনো বিকল্প নেই।

ইতিমধ্যেই আমাদের ড্রোন প্রযুক্তির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে এসেছে দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু তুরস্ক। আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে জাতিসংঘে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে; সেখানে হয়তো বগুড়ায় বায়রাক্তার ড্রোন কারখানা স্থাপন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। এর পাশাপাশি, পাকিস্তানের সঙ্গে যদি আমরা সম্পর্ক উন্নয়ন করে তাদের তৈরি উন্নত ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রযুক্তি অর্জন করতে পারি, তবে রাতারাতি বাংলাদেশ আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত হতে পারে। তখন ভারত আমাদের ওপর হামলার সাহস করবে তো পরের কথা; উল্টো ‘চিকেন নেক’ নিয়েই ভারত বড় ধরনের কৌশলগত চাপে পড়বে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পিতা ছিলেন একজন সেনাপ্রধান। স্বাভাবিকভাবেই সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি তাঁর একটি গভীর আবেগ ও ভালোবাসা কাজ করে। দেশপ্রেমিক এই সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে বর্তমান সরকার কী ধরনের যুগান্তকারী অবদান রাখে—এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা। 


সর্বশেষ