• ২০২৬ অগাস্ট ২৭, বৃহস্পতিবার, ১৪৩৩ ভাদ্র ১১
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৮ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

ডিমের বাড়তি দামে বিপাকে নিম্ন আয়ের ক্রেতারা

  • প্রকাশিত ০২:০৮ পূর্বাহ্ন বৃহস্পতিবার, অগাস্ট ২৭, ২০২৬
ডিমের বাড়তি দামে বিপাকে নিম্ন আয়ের ক্রেতারা
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ

ডিমের বাড়তি দামে বিপাকে নিম্ন আয়ের ক্রেতারা


রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামের মধ্যে এবার বাড়তি চাপে পড়েছেন ডিমের ক্রেতারাও। গত দুই সপ্তাহ ধরে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে ঘুরছে। এতে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা সহজলভ্য প্রোটিনের এই উৎসটিও ক্রমেই ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।

বাজারে হাঁসের ডিমের দামও তুলনামূলক বেশি। বর্তমানে প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, খামারে বিদ্যুৎ সংকট, বৃষ্টির কারণে মুরগির মৃত্যু এবং পোল্ট্রি ফিডের বাড়তি দামসহ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ডিমের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারে অভিযান চালানো হলে কিছু সময়ের জন্য ডিমের দাম কমে আসে। তবে অভিযান শেষ হওয়ার পর আবারও দাম বাড়তে থাকে। তাদের দাবি, বাজারে সরবরাহ ও মূল্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নজরদারি না থাকায় ব্যবসায়ীদের একটি অংশ ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণের সুযোগ পাচ্ছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, রাইয়ানখোলা, মহাখালী, মিরপুর, আগারগাঁও ও কল্যাণপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে ডিমের এমন বাড়তি দামের চিত্র পাওয়া গেছে।

মিরপুর-৬ নম্বর বাজারের ডিম ব্যবসায়ী সোহাগ ইসলাম জানান, পাইকারি বাজারেই বর্তমানে ডিমের দাম বেশি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ১০০টি ডিম পাইকারিতে প্রায় ১ হাজার ১২০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। ফলে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যোগ করে খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

আরেক ব্যবসায়ী কাওসার বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে কিছু খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে। পাশাপাশি পোল্ট্রি ফিডের দামও বেড়েছে। ফলে মুরগি পালন ও ডিম উৎপাদনে খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে বাজারদরেও।

তবে ক্রেতাদের প্রশ্ন, উৎপাদন খরচ বাড়ার অজুহাতে ডিমের দাম কতটা যৌক্তিকভাবে বাড়ছে, তা খতিয়ে দেখা দরকার। তাদের মতে, বাজারে নিয়মিত তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নজরদারি বাড়ানো গেলে ডিমের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা সম্ভব।

সর্বশেষ